শীতের তীব্রতা আরো বাড়ছে। উত্তরীয় হিমেল হাওয়ায় কনকনে শীত এখন জেলার মানুষদের কাঁপিয়ে তুলছে। দিনভর সূর্যের দেখা কিছুটা মিললেও সন্ধ্যা নামলেই পুরো এলাকা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে।
এমন পরিস্থিতিতে শীতের দাপটে অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এখানকার মানুষ। হিমশিম খেতে হচ্ছে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের। একই সঙ্গে দিন দিন বেড়েই চলেছে ঠাণ্ডাজনিত রোগ বালাই। প্রতিনিয়ত বয়স্ক থেকে শুরু করে নারী-শিশুসহ সব বয়সী মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলছেন ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলে নিজেদের আরও সচেতন হতে হবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে উত্তরের জেলা নওগাঁয়, ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাস জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে বলা হয়, দেশের চার জেলা—কিশোরগঞ্জ, পাবনা, দিনাজপুর ও চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) বইছে। তা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। তাপমাত্রাও কমছে। দিনের তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গেছে। এই ধারাবাহিকতায় আজ নওগাঁয় সবচেয়ে কম ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে।
বজলুর রশিদ আরও বলেন, পুরো রংপুর বিভাগ, রাজশাহী বিভাগের কিছু অংশ এবং যশোর, চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে। আগামী দুই থেকে তিন দিন এটি থাকতে পারে।
